চাড্ডিগণ [তিন]
"হিন্দুদের মধ্যে একটা ধারণা আছে-বেদে সব আছে। আজকের আধুনিক বিজ্ঞান যা কিছু আবিষ্কার করছে, তার সবই লিপিবদ্ধ রয়েছে বেদ-এ। বিদেশি শক্তি বেদ নিয়ে গিয়ে তার অর্থ পাঠোদ্ধার করে বিজ্ঞানের নিত্য নতুন আবিষ্কার করে চলেছে। আসুন, দেখি বেদে ঠিক কী আছে। বেদ-চারটি। ঋক্, সাম, যজু, অথর্ব। ঋকবেদ - এতে আছে দেবতাদের উদ্দেশে রচিত নানা স্তোত্র। ঋকবেদের পাঁচটি শাখার নাম আমরা জানতে পেরেছি। (১) শাকল (২) বাস্কল (৩) আশ্বলায়ন (৪) সাংখ্যায়ন (৫) মাণ্ডুক। বর্তমানে ঋকবেদের শাকল শাখাটিই শুধু টিকে আছে। এখন যে ঋকবেদ পাচ্ছি, তাতে আছে ১০২৮টি শূক্ত বা অধ্যায়। ১০২৮টি শূক্তে দশ হাজারের উপর শ্লোক রয়েছে। শ্লোকগুলোতে দেবতার গুণগান ও তাঁদের করুণা ভিক্ষা করা হয়েছে। এই দেবতারা তিন শ্রেণির। স্বর্গের দেবতা, যাঁদের মধ্যে প্রধান মিত্র, পুষা, বিষ্ণু, ঊষা, আদিত্যগণ। আকাশের দেবতা, যথা- ইন্দ্র, রুদ্র, বায়ু, পর্জন্য ও মরুদগণ। পৃথিবীর দেবতা, যথা- অগ্নি, সোম, পৃথিবী ইত্যাদি। ঋকবেদের একটি বৈশিষ্ট্য হলো, প্রাকৃতিক শক্তিগুলোকে যেমন দেবত্ব আরোপ করেছিল, তেমনই মানবত্ব আরোপেরও প্রয়াস ছিল। যেমন- ঊষা এক সুন্দরী যুবতী, যে তার প্রেমিকে...