সমাজবিজ্ঞানী ই. বার্ক রচফোর্ড অসংখ্য রেফারেন্স সহ গবেষণার মাধ্যমে দেখিয়েছেন ইস্কন আমেরিকা ও ভারতে তাদের দ্বারা পরিচালিত বোর্ডিং স্কুলগুলোতে খ্রিস্টান পাদ্রীদের মতোই শিশুদের উপর যৌন নিপীড়ন চালায় ও মানসিকভাবে অত্যাচার করে। সেই সাথে শারীরিক মারধর তো আছেই। কীর্তনানন্দ স্বামী নামক ইস্কন এর এক ধর্মীয় গুরুকে আমেরিকান আদালত ২০ বছরের সাজা দিয়েছিল ধান্দাবাজি আর ইমেইলে প্রতারণার অভিযোগে। ১৯৭৬ সালে এই সংগঠনের প্রেসিডেন্টকে নিউ ইয়র্ক এর একটি আদালতে ডাকা হয় জোর করে কিছু শিশুকে আটকে রাখার জন্য। তখন বলা হয়েছিল যে, সংগঠনটির চিন্তাধারা মানুষকে হাজার বছর পিছিয়ে দেয়। ক্যালিফোর্নিয়ায় এরা আবার অভিযুক্ত হয় এক মেয়েকে অপহরণ করে তাকে মা-বাবাকে অস্বীকার করতে শিখিয়ে দেয়ার অভিযোগে। মেয়ের চিন্তায় বাবা শেষে মারা গিয়েছিল। ....................................................................................... ভারতে চাড্ডি বাটপারদের অত্যন্ত লাভজনক একটা ব্যবসা আছে। পশ্চিমের পুঁজিবাদী দেশগুলোতে উদ্ভূত নানা সংকট থেকে মুক্তি পেতে দেশগুলোর অনেকেই প্রাচ্যের ধর্মগুলোর দিকে ঝুঁকছে। এরা ভারতে এসে ধ্যান এর জন্য নির্জন জায়...
পুরুষতান্ত্রিক সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিবেশের মধ্যে বড় হয়েছিলেন ফ্রয়েড। আর দশটা ইউরোপীয় ইহুদি পরিবারের মতই তাঁর পরিবারের পুরুষরা সর্বশক্তিমান জিহোভার উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করতেন। "প্রভু তোমাকে ধন্যবাদ, আমাকে নারী করে সৃষ্টি করনি বলে।" পরিবারের নারীরা প্রার্থনা করেছেন, "প্রভু তোমাকে ধন্যবাদ, তোমার ইচ্ছেমতো সৃষ্টি করেছ বলে।" ইহুদি পরিবারগুলোতে তিনি দেখেছেন পুরুষদের শোষকের ও শাসকের ভূমিকায় এবং নারীদের শোষিতের ভূমিকায়। লাগাতারভাবে অবদমিত নারী আর অবদমনকারী পুরুষ দেখতে দেখতে ফ্রয়েডের মনে হয়েছে নারী-পুরুষের এই অবস্থান, এই সম্পর্ক বুঝি বা প্রাকৃতিক, জৈবিক সহজাত, শাশ্বত। সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিবেশের চাপ কাটিয়ে তিনি প্রকৃত সত্যকে ধরতে পারেননি - পুরুষ ও নারীর যে সম্পর্ককে শাশ্বত বলে ধরে নেওয়া হয় তা বাস্তবে সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিবেশের প্রভাবেরই ফল। এই পরিবেশই 'পুরুষালি' ও 'মেয়েলি' স্বভাবের স্রষ্টা। ফলে ফ্রয়েডের সংস্কারাচ্ছন্ন ভ্রান্ত চিন্তা ও রক্ষণশীলতা থেকে উদ্ভূত লিবিডো তত্ত্ব হয়ে দাঁড়ায় সহজাত প্রবৃত্তির তত্ত্ব, শাশ্বত প্রবৃত্তির তত্ত্ব। লিবিডো তত্ত্বে ফ্রয়েড বলেছ...
আমাদের দেশের মোল্লারা যেমন কোরান-হাদিসে পদে পদে বিজ্ঞান খুঁজে পায়, পাশের দেশের চাড্ডিগুলোর স্বভাবও একই। সিউডো সায়েন্স এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ এই ভিডিও। চাড্ডিরা আগে পৈতা আর ধুতি পড়েই এসব প্রচার করলেও বর্তমানে জিন্স, টিশার্ট পড়ে এসব অপবিজ্ঞান এর ভিডিও আপলোড করে। ঠিক একই স্টাইলে তুরস্কের মোল্লারা (যাদের তুর্কি ভাষায় 'হোযা' বলে সম্বোধন করা হয়) পশ্চিমাদের পোশাক পড়েই জিন তাড়ায় বাড়ি বাড়ি! খোদ পশ্চিমাদের দেশগুলোতেও বিভিন্ন সংস্থা এসব অপবিজ্ঞানের উপর তথাকথিত গবেষণা চালাতে বিশাল পরিমাণে ফান্ড পেয়ে থাকে। পেছনে সাধুদের লুইচ্চামি আর উপরে দুধে ধোয়া তুলসী পাতা চীন বিদ্বেষীতার মাত্রা! সংখ্যালঘু নিপীড়নে যখন উপমহাদেশের তিন দেশই সমান সেনাবাহিনীতে পর্যন্ত চাড্ডিগিরি! কিছুই বলার নেই গুন্ডামি মোল্লাদের মতোই এদের উপরে এক রূপ, ভিতরে আরেক রূপ ঠিক যেমনটা তালেবানরা নিজেদের মেয়েদের ক্ষেত্রে করেছিল পোস্টকার্ড এর ক্রেডিট একজন মুসলমানের, অথচ নিজেদের মোল্লাদের আকামের খবর নাই! 🙄🙄🙄 এদের উগ্রতার ভয়াবহ পর্যায়! কাশ্মীরে মুসলিমদের দ্বারা সংগঠিত বর্বরতাকে ছড়িয়ে দিতে মিডিয়াকে কাজে লাগানো হলেও এগুলো চেপে...
Comments